আল নাসেরের অনুশীলনে হাসিখুশি রোনাল্ডো, পর্তুগাল শিবিরে ফেরা নিয়ে মুখ খুললেন, চাপালেন পাল্টা শর্ত

আল নাসেরের অনুশীলনে হাসিখুশি রোনাল্ডো, পর্তুগাল শিবিরে ফেরা নিয়ে মুখ খুললেন, চাপালেন পাল্টা শর্ত

কোচ জর্জে জেসুসের সঙ্গে মতবিরোধের কারণে জাতীয় শিবির ছাড়েন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। কোপেনহেগেন থেকে সোজা রিয়াধের বিমান ধরেছিলেন। রবিবার রিয়াধে ফেরার পর সোমবার থেকেই অনুশীলন শুরু করে দিয়েছেন।

উয়েফা নেশনস লিগের মাঝপথে পর্তুগালের শিবির ছেড়ে সৌদি আরবে চলে এসেছেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো। জাতীয় শিবির ছাড়া নিয়ে বিতর্ক তৈরি হলেও আল নাসেরের অনুশীলনে হাসিখুশি মেজাজে দেখা গিয়েছে রোনাল্ডোকে। জাতীয় শিবিরে ফেরা নিয়েও মুখ খুলেছেন তিনি। তবে একটি শর্ত রয়েছে সিআর সেভেনের।

কোচ জর্জে জেসুসের সঙ্গে মতবিরোধের কারণে জাতীয় শিবির ছাড়েন রোনাল্ডো। কোপেনহেগেন থেকে সোজা রিয়াধের বিমান ধরেছিলেন। যোগ দিয়েছেন ক্লাবের অনুশীলনেও। রবিবার রিয়াধে ফেরার পর সোমবার থেকেই সতীর্থদের সঙ্গে অনুশীলন শুরু করে দিয়েছেন। ক্লাব কর্তৃপক্ষকে রোনাল্ডো জানিয়েছেন, আগামী শুক্রবার আল দিরিয়ার বিরুদ্ধে মাঠে নামতে তিনি তৈরি। রোনাল্ডো নিজেই অনুশীলনের কয়েকটি ছবি সমাজমাধ্যমে ভাগ করে নিয়েছেন ভক্তদের সঙ্গে। সেই ছবিগুলিতে হাসিখুশি মেজাজে দেখা যাচ্ছে সিআর সেভেনকে। সতীর্থদের সঙ্গে হালকা মেজাজে কথা বলার ছবিও রয়েছে।

একই সঙ্গে রোনাল্ডো জাতীয় শিবিরে ফেরা নিয়েও মুখ খুলেছেন। তবে শর্তসাপেক্ষে পর্তুগাল শিবিরে যোগ দিতে রাজি বলে জানিয়েছেন তিনি। সিএনএস পর্তুগালের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৪১ বছরের ফুটবলার ঘনিষ্ঠ মহলে বলেছেন, জেসুস যতদিন কোচ থাকবেন তিনি জাতীয় দলের জার্সি পরবেন না। জেসুস না থাকলে জাতীয় শিবিরে ফিরতে তাঁর আপত্তি নেই। তবে প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি সিআর সেভেন। রোনাল্ডো বুঝিয়ে দিয়েছেন, জেসুসের কোচিংয়ে তিনি খেলতে রাজি নন। উল্লেখ্য, জেসুসের কোচিংয়ে আল নাসেরেও খেলেছেন রোনাল্ডো। মূলত তাঁর সুপারিশেই জেসুসকে জাতীয় দলের দায়িত্ব দিয়েছিলেন পর্তুগালের ফুটবল কর্তারা।

যদিও জাতীয় শিবিরে রোনাল্ডোকে ফিরিয়ে নিতে আপত্তি নেই পর্তুগাল কোচের। আগেই সে কথা জানিয়েছেন জেসুস। তিনিও একটি শর্ত দিয়েছেন। নরওয়েকে হারানোর পর তিনি সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের উত্তরে বলেছিলেন, “যদি ও ফিরতে চায়, তা হলে জাতীয় দলে ফিরতে পারে। ওর জন্য জায়গা সব সময় খোলা। কিন্তু ফেরার সিদ্ধান্ত ওকেই নিতে হবে। ওই ঠিক করবে জাতীয় দলে কী ভাবে শেষ করবে। আমি ওকে বলেছিলাম, ওকে আমার দরকার। খেলুক বা না খেলুক, ওকে দলে দরকার। আমি এখনও একই কথা বলছি। বাকিটা ওর হাতে।”

Comments

No comments yet. Why don’t you start the discussion?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *